মুক্তিযোদ্ধাদের কতটা সম্মান দিয়েছে কোটাব্যাবস্থা ও সংবিধান ?

0
Azad Siraji

আজাদ সিরাজী: ১৯৪৭ সালে যেই বাঙ্গালীর সংগ্রামে-আত্মত্যাগে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হলো সেই বাঙ্গালীরাই ১৯৭১ এ ‘পাকিস্তানী রাষ্ট্রকাঠামোর’ বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলো শুধুমাত্র দেশের মানচিত্র পরিবর্তনের জন্য নয়। বরং, তাদের লড়াইয়ের মূল উদ্দেশ্য ছিল ‘বৈষম্য, অনাচার ও সর্বপ্রকার শোষণ থেকে মুক্তিলাভ’। ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে আপামর পূর্ব বাংলার চাষাভূষা মানুষ জমিদারদের অত্যচার থেকে মুক্তির জন্য সর্বোতোভাবে কেপিপি ও মুসলিম লীগকে ভোট দেন (আহমদঃ১৯৬৮)। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য মিছিল, মিটিং, সংগ্রাম করেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর শেরে বাংলার প্রচেষ্টায় জমিদারিপ্রথা উচ্ছেদ হলেও ‘মুসলিম লীগ ও পশ্চিমপাকিস্তানী বিত্তশালী এলিটবর্গ’ শোষণের নতুন কৌশল গ্রহণ করে। বাঙালিরা পাকিস্তানের ৫৬% হলেও সরকারী চাকুরীতে জনসংখ্যার অনুপাতে নিয়োগ পেত না। নবগঠিত পাকিস্তানে ১৯৪৯ সালে জারিকৃত এক বিধান মোতাবেক সরকারী চাকুরীতে ৮০% প্রাদেশিক কোটা পদ্ধতি প্রণয়ন করা হয় (জোবায়েরঃ ২০১৭, ভলিউম-৫)। ড. আকবর আলি খান ও কাজী রকিব উদ্দিন আহমদের গবেষণা বলছে,  এই ৮০% কোটার মধ্যে ৪০% পূর্ববাংলা, ৪০% পাকিস্তানের অন্যান্য প্রদেশ (অন্যান্য সকল প্রদেশের মিলিত জনসংখ্যা ৪৪%) ও ২০% জাতীয় কোটা (খান ও আহমেদ: ২০০৮)। ২০% জাতীয় কোটার বেশীর ভাগ পশ্চিম পাকিস্তানীরা তো পেতই পূর্ব বাংলার ৪০% এ এসে ভাগ বসাতো ভারত থেকে বাংলায় আসা বিহারীরা। (আহমদঃ ১৯৬৮) বিশেষ করে আইয়ুব খানের আমলে অর্থনৈতিক-বাণিজ্যিক বৈষম্য ছিল তুলনাহীন। এই বৈষম্য ও অনাচারের বিরুদ্ধে পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকেই নিজেদের হাতে গড়া পাকিস্তানের শিকড়ে কুড়োল মাড়তে ১৯৭১ এ অস্ত্র ধরে বাঙ্গালী। বৈষম্য সমূলে উৎপাটন করতে চলা, ন্যায়ের পতাকা হাতে একদল পবিত্র আত্মার সারথী সৈনিক হলেন মুক্তিযোদ্ধারা।

মুক্তিযোদ্ধাদের চরিত্র বর্ণনা করতে গিয়ে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেন, ‘নষ্ট-ভ্রষ্টরা কখনো মুক্তিযুদ্ধ করে না। মুক্তিযোদ্ধা হতে দেশপ্রেমের প্রয়োজন হয়। আর দেশপ্রেম ইমানের অংশ। ইমানদার ছাড়া কোনো বেইমান মুক্তিযোদ্ধা হতে পারে না। নষ্ট-ভ্রষ্টরা লুটতরাজ করে, চাঁদাবাজি করে, হাইজ্যাক করে, তারা কখনো রক্ত দেয় না বরং রক্ত নেয়। ইসলামবিদ্বেষী, রাসূলবিদ্বেষী তৎপরতা এ দেশের মুমিন মুসলমানরা মেনে নেননি। মুক্তিযুদ্ধ কোনো নবাব, জমিদার করেনি, তাদের সন্তানেরা করেনি। মুক্তিযুদ্ধ করেছে খেটে খাওয়া আপামর জনসাধারণ এবং তাদের সন্তান-সন্ততিরা’ ( নিযামুদ্দীন, ম। ২০১৬, জুলাই ৪)।

বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়তে যাওয়া এইসকল ন্যায়ের পথের সাধকসারথী মুক্তিযোদ্ধাদেরকে তাই হৃদয় মন্দিরে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয় আপামর বাঙালি। ৭ কোটি বাংলাদেশীর মধ্যে যুদ্ধে যাবার বয়েসীদের সিংহভাগ মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয় দলে দলে। যারা বয়স, অত্যাধিক দারিদ্র, পারিবারিক, সামাজিক দায়িত্ব, শারীরিক অক্ষমতা ও বিভিন্ন কারণে যুদ্ধে যোগ দিতে পারেন নি তারাও নানাভাবে সহযোগিতা করতে থাকে সত্যের পথের শুভ্রপুরুষ মুক্তিযোদ্ধাদেরকে। নিজেরা না খেয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের খাবারের ব্যবস্থা করে দেয় অনেকেই। নিজেরা না ঘুমেয়ে মক্তিযোদ্ধাদের ঘুমানোর ব্যবস্থা করে অনেক অনেকেই। মুক্তিযোদ্ধাদের রসদ বহন, সংবাদ সংগ্রহপ্রভৃতি নানা ভাবে মুক্তিযদ্ধে সহযোগিতা করে বাঙ্গালি। আপামর বাঙ্গালি জাতির আরো একটি বড় কাজ হলো, পাক বাহিনীকে অসহযোগিতা করা। পাক যোদ্ধা খাদিম হোসন রাজা তার ‘এ স্ট্রেঞ্জার ইন মাই ওন কান্ট্রি’তে বলেন, ‘পূর্বপাকিস্তান যে আমারই দেশ তা এদেশের জনগণকে দেখলে বিশ্বাস হয় না। এদের কাউকে বিশ্বাস করা যায় না’ (রাজা: ২০১২: ১০১)।

খাদিম হোসেন রাজার বই দেখলেই বোঝা যায় আপামর বাঙ্গালির অসহযোগিতা কতটুকু অসহায় করেছিল ওদের, কতটুকু করেছিল দুর্বল। ওর মুখেই শোনা যায় আপামর বাঙালি ক্ষেপেছিল সেদিন, বাঙালির সবাই ছিল পাকবাহিনীর ভিতির উৎস।

১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর যে বিজয় আসলো সেই বিজয় বাঙ্গালির_ আপামর বাঙ্গালীর। সেই বিজয় আগমণের পথ যদি হয় একটি রক্তনদী, ‘নৌকা’ যদি হয় এই স্বাধীণতার বাহন, জনক বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ নৌকার হাল, ৩০ লাখ শহীদের রক্ত এ নদীর জল, বীর মুক্তিযোদ্ধারা এর মাঝিমাল্লা আর ৭ কোটি বাঙালি হলো নৌকো বোঝাই রসদ।

বিজয় অর্জণের পরে তাই বাঙ্গালি নিকট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হয়ে উঠলেন বঙ্গপিতা_ মাথার তাজ আর মুক্তিযোদ্ধারা এক একজন হয়ে উঠলেন এক একটা নক্ষত্র, এক একটা আদর্শ।

এই মুক্তিযোদ্ধারা তাই বাঙ্গালি জাতির আবেগ, বাঙ্গালি জাতির সম্মান, বাঙ্গালি জাতির ইজ্জতের জায়গা। একজন মুক্তিযোদ্ধার বেইজ্জতি মানে পুরো বাঙ্গালি জাতির বেইজ্জতি। একজন মুক্তিযোদ্ধাকে ছোট করে দেখা মানে বাঙালি জাতির আত্মমর্জাদাবোধকে ছোট করে দেখা, একজন মুক্তিযোদ্ধাকে যথাযথ মর্জাদা থেকে বঞ্চিত করা মানে পুরো বাঙালি জাতিকেই মর্জাদাবঞ্চিত করা।

এবার দেখা যাক, আমাদের বাংলাদেশ রাষ্ট্রকাঠামো ‘মুক্তিযোদ্ধাদেরকে’ কতটা মর্জাদা প্রদান করছে।

বাংলাদেশ সংবিধাণের ২৯ নং অনুচ্ছেদ বলছে, ‘অনুচ্ছেদ-২৯: সরকারী নিয়োগ-লাভে সমতা-

(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।
(২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রে কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাাহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।
(৩) এই অনুচ্ছেদে কোনকিছুই_
(ক) নাগরিকদের যেকোন অনগ্রসর অংশ যাহাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব লাভ করিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁহাদের অনুকূলে বিশেষ বিধাণ-প্রণয়ন করা যাইতে পারে।
(খ) কোন ধর্মীয় বা উপসম্প্রদায়গত প্রতিষ্ঠানে উক্ত ধর্মাবলম্বী বা উক্ত সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যাক্তিদের জন্য নিয়োগ সংরক্ষণের বিধান-সংবলিত যে কোন আইন কার্যকর করা হইবে।
(গ) যে শ্রেণীর কর্মের বিশেষ প্রকৃতির জন্য তাহা নারী বা পুরুষের পক্ষে অনুপযোগী বিবেচিত হয়, সেইরুপ যে কোন শ্রেণীর নিয়োগ বা পদ যথাক্রমে পুরুষ বা নারীর জন্য সংরক্ষণ করা হইতে রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

সংবিধানের আর কোথাও সরকারী নিয়োগে প্রাধিকার কোটার বিষয়ে কোন কিছু উল্লেখ নাই।

এহেন পরিস্থিতিতে ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটা’ প্রাধিকারের কোন ক্যাটাগরিতে পড়বে তা আমার বোধগম্য নয়। কারণ, সংবিধানের ২৯(৩.ক) অনুচ্ছেদ অনুসারে মুক্তিযোদ্ধাদের যদি ‘নাগরিকদের যেকোন অনগ্রসর অংশ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে তার দ্বারা মুক্তিযোদ্ধাদেরকে অবমাননাই করা হয়। উপরন্তু, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব’ এর বিচারে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানগণ তাদের জনসংখ্যার তুলনায় ঢের বেশি হারে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

সংবিধানের ১৩৩ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়, ‘এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা প্রজাতন্ত্রের কর্মে কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।’

এই অনুচ্ছেদের ওপর ভিত্তি করে জনপ্রশাসন(ও পূর্ববর্তী সংস্থাপণ মন্ত্রণালয়) যেসব ‘নিয়োগ বিধি’ প্রয়োগ করছে, তা কী সংবিধানের ২৯ (৩.ক) এর সাথে সাংঘর্ষিক নয়?

সংবিধানের ১৯(১) নং অনুচ্ছেদ বলছে, ‘সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবেন।’

৫৬% কোটার এই রাষ্ট্র কি সত্যিকার অর্থে সকল নাগরিকের সুযোগের সমতা নিশ্চিত করছেন?

বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আকবর আলি খান রেগুলেটরি কমিটির প্রধান হিসেবে ২০০৮ সালে একটি গবেষণাকর্ম সম্পাদনা করেন। এতে বলা হয়, ‘মেধার ভিত্তিতে মাত্র শতকরা ৪৫ জনকে নিয়োগ সংবিধানসম্মত নয়।’ ( নজরুল, আ। ২০১৮ মার্চ ৪)

এছাড়া বিশিষ্টজনেরা অনেকবার বাংলাদেশের ৫৬% কোটা ব্যাবস্থার সমালোচনা করছেন। বাস্তব পরিস্থিতি হলো, জনগণের সিংহভাগ ৫৬% কোটার প্রতি বিরক্ত। জনসংখ্যানুপাতে মানানসই নয় বিধায়, বেশীর ভাগের মনোযোগ ৩০% মুক্তিযোদ্ধা কোটার দিকেই। তাই কোটা নিয়ে মানুষের মনে যখন বিরুপ মনোভাব কাজ করে, সাভাবিক ভাবেই মুক্তিযোদ্ধা কোটার ব্যাপারেই বেশি আহত হয়। স্বল্প শিক্ষিত জনগণ এসব ক্ষেত্রে প্রায়সই জাতির সূর্যসন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়। ভুল বোঝে, গালাগালি পর্যন্ত করে বসে। এহেন পরিস্থিতিতে সুযোগ খোঁজে স্বাধীণতা বিরোধী শক্তি। তারা স্বল্প শিক্ষিত মানষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী’ অপকর্মের প্রয়াস পায়।

এহেন পরিস্থিতিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবীত শক্তির প্রতি আমার অনুরোধ, ‘কোটার ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে কোন স্বল্প শিক্ষিত ব্যাক্তি যদি কোন গালিগালাজও করে বসে, সেক্ষেত্রে ওই ব্যাক্তিকে হুঙ্কার- ধমকি দেওয়ার আগে কি ওর ‘গালাগালির প্রেক্ষাপট’টা অনুধাবন করা উচিত নয়? গাছের গোড়া কেটে মাথায় পানি ঢেলে কি আদতে কোন লাভ হবে?

এহেন পরিস্থিতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আমার অনুরোধ, দেশের জনগণ যাতে বিক্ষুব্ধ না হয়, সেই পরিমাণে কোটা রেখে বিধি সংস্কার করুন। আর সংবিধানে ২৯(৩.ক) অনুচ্ছেদে ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটার ব্যাপারে একটা সম্মানজনক অবস্থান নিশ্চিত করে সংবিধান সংশোধন করুন। কারণ মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ‘নাগরিকদের যেকোন অনগ্রসর অংশ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয় সেটাতে আমার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে তো বটেই একজন, মুক্তিযোদ্ধার নাতী হিসেবে আমার অন্তরে আঘাত লাগে। কোটার কারনে মুক্তিযোদ্ধা দাদার অবমাননা আমায় আহত করে।

(দ্র: আমার দাদা নওশাহ বাবু মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট নেন নাই। কিন্তু তিনি যে মুক্তিযোদ্ধা সেটা সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার রঙ্গের বাজার এলাকার সবাই জানে। নওগাঁ যুদ্ধে তাঁর বীরত্বের কথা, পলাশডাঙ্গা যুবশিবিরে তাঁর সক্রিয়তার কথা এখনো অত্র এলাকার জনমন থেকে বিস্মৃত হোন নাই। তাঁর সহযোদ্ধাদের অনেকেই এখনো বেঁচেই আছে। কেন তিনি সার্টিফিকেট নেন নাই সে গল্প আমি অন্যদিন বলবো।)

এতোটুকু আলোচনার পরেও যারা কোটা সংস্কারের বিপক্ষে অবস্থান করতে চান, তাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, স্বাধীণ বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গণমানুষের এই সম্মাণের কারণ তাদের অগাধ দেশপ্রেম, আর তাদের ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মত্যাগ। বৈষম্যমুক্ত ও ন্যায়ের পথের কারিগড় বলেই মুক্তিযোদ্ধারা পান এই সম্মান, এই ভালোবাসা, হৃদয়ের গহীনে এই এতোটুকু আবেগ। আমার বিশ্বাস, ভবিষ্যতেও এরকম কোন একদল বীরপুরুষ যদি বৈষম্যের শিকল ভাঙতে যুদ্ধে নামে, বাঙ্গালি তাতে সমর্থন দেবে, সক্ষমেরা যোগ দেবে। আর সেটা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের রাষ্ট্র-কাঠামো ভেঙ্গে হলেও।

তথ্যসুত্র:
১. Zobair, M. A. A. (2017). Quota System and Bangladesh Civil Service:
In Nation Building Perspective Public Affairs and Governance. Vol. 5, pp. 110-127.
Delhi: Indian Journal
২.  Khan, A. A. & Ahmad, K. R. (2008).
৩. Islam. M. S. (2013). Quota versus Merit: From Affirmative Action to Meritocracy. Dhaka: Institute of Governance Studies BRAC University.
৪. Sarowar, M. (2016). Analysis and criticism of the quota system in Bangladesh civil service. Dhaka 
৫. Raja, K. H. (2012). A Stranger in My Own Country: East Pakistan, 1969-71. London: Oxford University Press. 
৬. আহমদ। ম। আ (১৯৬৮)। আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর 
৭. নিযামুদ্দীন, ম। (২০১৬, জুলাই ৪) জুলাই ইসলামি বিশ্বাস, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ | ভোরের কাগজ । উত্তোলনঃ http://www.bhorerkagoj.net/print-edition/2016/07/04/96663.php
৮.শহীদুল্লাহ, র।ম। (১৯৮৪) কনসেন্ট্রশন ক্যাম্প
৯. নজরুল, আ। (২০১৮ মার্চ ৪) চাকুরীত%